। আবূ মূসা আল-আশআরী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উম্মাতের মধ্যে পুরুষদের জন্য রেশমী পোশাক এবং স্বর্ণালংকার ব্যবহার হারাম করা হয়েছে এবং মহিলাদের জন্য তা হালাল করা হয়েছে। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩৫৯৫) উমার, আলী, উকবা ইবনু আমির, আনাস, হুজাইফা, উম্মু হানী, আব্দুল্লাহ ইবনু আমর, ইমরান ইবনু হুসাইন, আব্দুল্লাহ ইবনুজ জুবাইর, জাবির, আবূ রাইহান, ইবনু উমার, বারাআ ও ওয়াসিলা ইবনুল আসকা (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
জামে তিরমিজি 1721SahihSahihHasan SahihSahih Muslim
। উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি জাবিয়া নামক জায়গায় ভাষণ দানের সময় বলেন, দুই, তিন অথবা চার আঙ্গুলের বেশি পরিমাণ রেশমী পোশাক ব্যবহার করতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বারণ করেছেন। সহীহ, মুসলিম। এই হাদিসকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
জামে তিরমিজি 1722SahihSahihHasan SahihSahih - Agreed Upon
। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, এক যুদ্ধে আবদুর রাহমান ইবনু আওফ ও যুবাইর ইবনুল আওয়াম (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট নিজেদের শরীরে উকুন হওয়ার অভিযোগ করেন। তাদের দু'জনকেই তিনি রেশমী পোশাকের জামা পরার সম্মতি দেন। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি তাদের দু’জনকেই তা পরে থাকতে দেখেছি। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩৫৯২), নাসা-ঈ এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
জামে তিরমিজি 1723SahihSahihHasan SahihIsnaad Hasan
। ওয়াকিদ ইবনু আমর ইবনু সাঈদ ইবনু মুয়াজ (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, (আমাদের এখানে) আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) আসলে আমি তার সামনে এলাম। তিনি (আমাকে) প্রশ্ন করেন, তুমি কে? আমি বললাম, আমি ওয়াকিদ ইবনু আমর ইবনু সা’দ ইবনু মুআয। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি (আনাস) কেঁদে ফেললেন এবং বললেন, সা’দের চেহারার সাথে তোমার চেহারার মিল আছে। সা'দ (রাঃ) ছিলেন অত্যন্ত মর্যাদাবান, বলিষ্ঠ ও লম্বা শরীরের অধিকারী। তিনি একবার স্বর্ণের কারুকার্য খচিত দীবাজ (রেশম ও সূতা মিশ্ৰিত) কাপড়ের একটি জুব্বা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য প্রেরণ করেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা পরে মিম্বারে উঠে দাড়ান অথবা বসেন। জনগণ তা ছুয়ে দেখতে শুরু করলো এবং বলতে লাগল, আমরা আজকের মতো এমন জামা আর কোন দিন দেখিনি। তিনি বললেনঃ তোমরা এর সৌন্দর্য দেখে আশ্চর্য হচ্ছ! তোমরা যা দেখছ, জান্নাতে সাদের রুমাল তার চেয়ে বেশি উত্তম। সহীহ, নাসা-ঈ আবূ ঈসা বলেন, আসমা বিনতু আবূ বাকর (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
জামে তিরমিজি 1724SahihSahihHasan SahihSahih - Agreed Upon
। বারাআ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি লাল রং-এর জামা পরে থাকাবস্থায় আর কোন বাবরি চুলবিশিষ্ট মানুষ দেখিনি যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চেয়ে বেশি সুন্দর। কাধের কাছাকাছি পর্যন্ত তার বাবরি চুল ঝুলন্ত ছিল। তার দুই কাধের মাঝামাঝি জায়গা প্রশস্ত ছিল। তিনি ছিলেন না বেঁটে আকৃতির আর না লম্বাকৃতির। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩৫৯৯), নাসা-ঈ আবূ ঈসা বলেন, জাবির ইবনু সামুরা, আবূ রিমসা ও আবূ জুহাইফা (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
জামে তিরমিজি 1725SahihSahihHasan SahihSahih Muslim
। আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে কাসী (সূতা ও রেশম মিশ্ৰিত কাপড়) ও হলুদ রং-এর জামা পরতে বারণ করেছেন। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩৬০২), মুসলিম, ৩৬৭৬ নং হাদীসে আরও পরিপূর্ণ বর্ণনা আসবে। আবূ ঈসা বলেন, আনাস ও আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটি হাসান সহীহ।
। সালমান (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, ঘি, পনির ও পশমী বা চামড়ার জামা প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে প্রশ্ন করা হল। তিনি বললেনঃ আল্লাহ তা'আলা তার গ্রন্থে যা বৈধ করেছেন তা-ই বৈধ এবং আল্লাহ তা'আলা তার গ্রন্থে যা অবৈধ করেছেন তা-ই অবৈধ। আর তিনি যে সকল বিষয়ে নীরব থেকেছেন (বৈধ বা অবৈধ বিষয়ে কিছুই বলেননি) তা তার ক্ষমা ও উদারতার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। হাসান, ইবনু মা-জাহ (৩৩৬৬) আবূ ঈসা বলেন, মুগীরা (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি গারীব। আমরা এটাকে শুধু উল্লেখিত সনদ সূত্রেই মারফুভাবে জেনেছি। এটাকে সালমান ফারসী (রাঃ)-এর নিজের কথা হিসাবে সুফিয়ান সাওরী ও আরো কয়েকজন বর্ণনাকারী সুলাইমান আত-তাইনী হতে আবূ উসমানের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। মাওকৃফ বর্ণনাটি অনেক বেশি সহীহ মনে হয়। আমি ইমাম বুখারীর নিকট উক্ত হাদীস প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, আমি এটাকে মাহফু্য (সুরক্ষিত) বলে মনে করি না। সুফিয়ান-সুলাইমান আত-তাইয়ী হতে, তিনি আবূ উসমান হতে, তিনি সালমান (রাঃ) হতে মাওকৃফভাবে বর্ণনা করেছেন। বুখারী আরো বলেন, হাদীস শাস্ত্রে সাইফ ইবনু হারুন গ্রহনযোগ্য এবং সাইফ ইবনু মুহাম্মাদ, যিনি আসিমের সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেন, নির্ভরযোগ্য নন।
জামে তিরমিজি 1727SahihSahihIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ، يَقُولُ مَاتَتْ شَاةٌ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لأَهْلِهَا " أَلاَ نَزَعْتُمْ جِلْدَهَا ثُمَّ دَبَغْتُمُوهُ فَاسْتَمْتَعْتُمْ بِهِ " . قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ سَلَمَةَ بْنِ الْمُحَبِّقِ وَمَيْمُونَةَ وَعَائِشَةَ . وَحَدِيثُ ابْنِ عَبَّاسٍ حَسَنٌ صَحِيحٌ وَقَدْ رُوِيَ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوُ هَذَا . وَرُوِيَ عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ مَيْمُونَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم . وَرُوِيَ عَنْهُ عَنْ سَوْدَةَ وَسَمِعْتُ مُحَمَّدًا يُصَحِّحُ حَدِيثَ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَحَدِيثَ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ مَيْمُونَةَ وَقَالَ احْتَمَلَ أَنْ يَكُونَ رَوَى ابْنُ عَبَّاسٍ عَنْ مَيْمُونَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَرَوَى ابْنُ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَلَمْ يَذْكُرْ فِيهِ عَنْ مَيْمُونَةَ . قَالَ أَبُو عِيسَى وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَكْثَرِ أَهْلِ الْعِلْمِ وَهُوَ قَوْلُ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ وَابْنِ الْمُبَارَكِ وَالشَّافِعِيِّ وَأَحْمَدَ وَإِسْحَاقَ .
। আতা ইবনু আবূ রাবাহ (রাহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, ইবনু আব্বাস (রাঃ)-কে আমি বলতে শুনেছি, একটি ছাগল মারা গেল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মালিককে বললেনঃ তোমরা কেন তার চামড়া ছিলে নাওনি? তোমরা এটাকে প্রক্রিয়াজাতের পর কাজে ব্যবহার করতে পারতে। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩৬০৯, ৩৬১০), মুসলিম
জামে তিরমিজি 1728SahihSahihHasan SahihSahih Muslim
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রক্রিয়াজাতের পর যে কোন চামড়া পবিত্র হয়ে যায়। সহীহ, প্রাগুক্ত এ হাদীস মোতাবিক বেশিরভাগ অভিজ্ঞ আলিম আমল করেছেন। তারা মৃত প্রাণীর চামড়ার বিষয়ে বলেছেন, প্রক্রিয়াজাতের পর তা পবিত্র বলে বিবেচিত। এই হাদীসের ভিত্তিতে ইমাম শাফিঈ বলেছেন, প্রক্রিয়াজাতের পর যে কোন চামড়া পবিত্র হয়ে যায়, কুকুর ও শূকরের চামড়া ব্যতীত (তা অপবিত্র ও হারাম)। তার মতের সপক্ষে তিনি অত্র হাদীসকে দলীল হিসেবে গ্রহণ করেছেন। হিংস্র প্রাণীর চামড়ার ব্যবহারকে একদল সাহাবী ও তৎপরবর্তীগণ মাকরূহ বলেছেন। এটা পরতে এবং এর উপর নামায আদায় করতে তারা বারণ করেছেন। এই মত আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারাক, আহমাদ ও ইসহাকের। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম বলেন, “প্রক্রিয়াজাতের পর যে কোন চামড়া পবিত্র হয়ে যায়” রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই কথার তাৎপর্য হল, যেসব পশুর গোশত খাওয়া বৈধ, এখানে শুধু সেসব পশুর চামড়ার কথা বলা হয়েছে। নাযর ইবনু শুমাইলও একই ব্যাখ্যা দিয়েছেন এবং বলেছেন, যেসব পশুর গোশত খাওয়া বৈধ তাকেই (আরবী ভাষায়) ইহাব বলা হয় এবং সেই ক্ষেত্রে এই হাদীসের বিধান প্রযোজ্য। আবূ ঈসা বলেন, সালামা ইবনু মুহাব্বিক, মাইমুনা ও আইশা (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত হয়েছে। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটি হাসান সহীহ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে ইবনু আব্বাসের বরাতে বিভিন্ন সূত্রে এ হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে মাইমুনার বরাতেও ইবনু আব্বাসের সূত্রে হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। সাওদার বরাতেও ইবনু আব্বাসের সূত্রে এটি বর্ণিত আছে। আমি (আবূ ঈসা) মুহাম্মাদ (বুখারী)-কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে ইবনু আব্বাসের বর্ণনা এবং মাইমূনার বরাতে ইবনু আব্বাসের উভয় বর্ণনাকেই সহীহ বলতে শুনেছি। সম্ভবতঃ ইবনু আব্বাস মাইমূনার সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন। আবার কোন সময় মাইমূনার উল্লেখ না করে ইবনু আব্বাস সরাসরি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতেও বর্ণনা করেছেন। এ হাদীস মোতাবিক বেশিরভাগ অভিজ্ঞ আলিম আমল করেছেন। একই কথা বলেছেন সুফিয়ান সাওরী, ইবনুল মুবারাক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাকও।
। আবদুল্লাহ ইবনু উকাইম (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমাদের নিকট রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পত্র আসে এই মর্মেঃ মৃত প্রাণীর চামড়া এবং জন্তু তোমরা কোন কাজে লাগাবে না। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩৬১৩) এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান বলেছেন। এ হাদীসটি আবদুল্লাহ ইবনু উকাইম (রাহঃ) তার আরো কয়েকজন শাইখের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এ হাদীস অনুসারে বেশিরভাগ অভিজ্ঞ আলিম আমল করেননি। উল্লেখিত হাদীসটি আবদুল্লাহ ইবনু উকাইম হতে অপর একটি সূত্রে এভাবে বর্ণিত হয়েছেঃ “আমাদের নিকট রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মারা যাবার দুই মাস আগে তার একটি পত্র আসে”। আহমাদ ইবনু হাসানকে আমি (তিরমিয়ী) বলতে শুনেছি, এ হাদীস মোতাবিক আহমাদ ইবনু হাম্বল প্রথম দিকে আমল করতেন। কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মারা যাবার দুই মাস পূর্বেকার ছিল এ নির্দেশটি। তিনি বলতেন, এটা ছিল মৃত প্রাণীর চামড়ার প্রসঙ্গে তার সর্বশেষ নির্দেশ। কিন্তু তিনি এ হাদীসের সনদে গোলমাল থাকায় তার আগের মতামত বাতিল করেন। কারণ কোন কোন বর্ণনাকারী উক্ত হাদীসের সনদ এভাবেও বিকৃত করেছেনঃ আবদুল্লাহ ইবনু উকাইম-জুহাইনা গোত্রীয় তাদের কিছু শাইখ হতে বর্ণিত।
জামে তিরমিজি 1730SahihSahihHasan SahihSahih - Agreed Upon
। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ গৰ্ব-অহংকারে মত্ত হয়ে যে লোক তার পরনের কাপড় পায়ের গোছার নিচ পর্যন্ত ঝুলিয়ে পরে, আল্লাহ তা'আলা কিয়ামত দিবসে তার দিকে দৃষ্টিপাত করবেন না। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩৫৬৯), নাসা-ঈ আবূ ঈসা বলেন, হুজায়ফা, আবূ সাঈদ, আবূ হুরায়রা, সামুরা, আবূ যার, আইশা ও হুবাইব ইবনু মুগাফফাল (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটি হাসান সহীহ।
জামে তিরমিজি 1731SahihSahihHasan SahihIsnaad Sahih
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ গৰ্ব-অহংকারের বশীভূত হয়ে যে লোক তার পরনের কাপড় গোড়ালির নিচ পর্যন্ত ঝুলিয়ে পরে, আল্লাহ তা'আলা কিয়ামত দিবসে তার দিকে দৃষ্টিপাত করবেন না। উম্মু সালামা (রাঃ) বললেন, মহিলারা তাদের কাপড়ের প্রান্ত বা আঁচল কিভাবে সামলাবে? তিনি বললেন, তারা (গোড়ালি হতে) এক বিঘত পরিমাণ উপরে রাখবে। তিনি (উম্মু সালামা) বললেন, এতে তো তাদের পা উদম হয়ে যাবে। তিনি বললেনঃ তবে তারা এক হাত পরিমাণ নিচ পর্যন্ত ঝুলিয়ে রাখবে, কিন্তু এর বেশি করবে না। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩৫৮০), (৩৫৮১) এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
। উম্মুল হাসান (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তাদের নিকট উম্মু সালামা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে, ফাতিমা (রাঃ)-এর জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কাপড়ের ঝুল এক বিঘত পরিমাণ নির্ধারিত করে দেন। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩৫৮০), আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাম্মাদ ইবনু সালামা-আলী ইবনু যাইদ হতে, তিনি আল-হাসান হতে, তিনি তার মাতা হতে, তিনি উম্মু সালামা (রাঃ)-এর সূত্রে কোন কোন বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন। মহিলাদেরকে তাদের পরনের কাপড় গোছার নিচে ঝুলিয়ে রাখার সম্মতি এ হাদীসে আছে। কেননা এতে তাদের পর্দা আরো সুরক্ষিত হতে পারে।
জামে তিরমিজি 1733SahihSahihHasan SahihSahih - Agreed Upon
। আবূ বুরদা (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমাদেরকে আইশা (রাঃ) তালিযুক্ত কম্বল (বা চাদর) এবং মোটা কাপড়ের একটি লুঙ্গি বের করে দেখান এবং বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দুটি কাপড় পরে থাকাবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩৫৫১), নাসা-ঈ আবূ ঈসা বলেন, আলী ও ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আইশা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটি হাসান সহীহ।
। ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ মূসা (আঃ)-এর সাথে যেদিন তার প্রতিপালক কথা বলেছিলেন সেদিন তার পরনে ছিল পশমী চাঁদর, পশমী জুব্বা, পশমী টুপি ও পশমী পাজামা। তার জুতা দুটি ছিল মৃত গাধার চামড়া দিয়ে তৈরী। খুবই দুর্বল, যঈফ (৪০৮২) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব। আমরা শুধু হুমাইদ ইবনু আলী আল-আ'রাজের সূত্রে এ হাদীস জেনেছি। ইমাম বুখারী বলেন, হুমাইদ ইবনু আলী আল-আ'রাজ একজন প্রত্যাখ্যাত রাবী। কিন্তু হুমাইদ ইবনু কাইস আল-আ'রাজ ছিলেন মুজাহিদের সহচর। তিনি ছিলেন মক্কার অধিবাসী এবং নির্ভরযোগ্য রাবী। ছোট টুপিকে কুম্মা’ বলা হয়।
। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা বিজয়ের দিন কালো পাগড়ী পরে মক্কায় প্রবেশ করেন। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২৮২২), মুসলিম আলী, উমার, ইবনু হুরাইস, ইবনু আব্বাস ও রুকানা (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাগড়ী বাধলে দুই কাঁধের মধ্য দিয়ে এর প্রান্ত ঝুলিয়ে দিতেন। নাফি (রাহঃ) বলেন, ইবনু উমার (রাঃ)-ও দুই কাঁধের মাঝ বরাবর তার পাগড়ীর এক প্রান্ত ছেড়ে দিতেন। উবাইদুল্লাহ (রাহঃ) বলেন, আমি কাসিম ও সালিমকেও এরূপ করতে দেখেছি। সহীহ, সহীহা (৭১৬) এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান গারীব বলেছেন। আলী (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। কিন্তু সনদের বিচারে তার বর্ণিত হাদীসটি সহীহ নয়।
। আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বর্ণের আংটি পরতে, রেশমি পোশাক পরতে, রুকু সিজদায় কুরআনের আয়াত পাঠ করতে এবং হলুদ রং-এর পোশাক পরতে বারণ করেছেন। সহীহ, মুসলিম, পূর্বে ১৭২৫ নং হাদীসেও সংক্ষেপে বর্ণিত হয়েছে। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
জামে তিরমিজি 1738SahihSahihHasan SahihIsnaad Hasan
। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আংটি ছিল রুপার। এতে লাল রং-এর মূল্যবান আবিসিনীয় পাথর বসানো ছিল। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩৬৪৬), মুসলিম ইবনু উমার ও বুরাইদা (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা এ হাদীসটিকে উল্লেখিত সনদ সূত্রে হাসান সহীহ গারীব বলেছেন।
। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আংটি ছিল রুপার। তার পাথরও ছিল রুপার। সহীহ, মুখতাসার শামা-ইল (৭৩), বুখারী আবূ ঈসা এ হাদীসটিকে উল্লেখিত সনদ সূত্রে হাসান সহীহ গারীব বলেছেন।
জামে তিরমিজি 1741SahihSahihHasan SahihSahih Muslim
। ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি স্বর্ণের আংটি তৈরী করান এবং সেটি ডান হাতে পরেন। তারপর তিনি মিম্বারের উপর বসে বললেনঃ আমি আমার ডান হাতে এই আংটিটি পরেছিলাম। তারপর তিনি তা খুলে ফেলে দিলেন এবং (তার দেখাদেখি) লোকেরাও তাদের আংটি খুলে ফেলে দিল। সহীহ, মুখতাসার শামা-ইল (৮৪), নাসা-ঈ আলী, জাবির, আবদুল্লাহ ইবনু জাফর, ইবনু আব্বাস আইশা ও আনাস (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। ইবনু উমার (রাঃ)-এর হাদীসটি অন্যান্য সূত্রেও তার নিকট হতে বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু তাতে “তিনি তা ডান হাতে পরেন” কথাটুকু উল্লেখ নেই।
জামে তিরমিজি 1742Hasan SahihHasan SahihHasanIsnaad Hasan
। সালত ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নাওফাল (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি ইবনু আব্বাস (রাঃ)-কে ডান হাতে আংটি পরতে দেখেছি। আমার ধারণা তিনি এও বলেছেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তার ডান হাতে আংটি পরতে দেখেছি। হাসান সহীহ, ইরওয়া (৩/৩০৩-৩০৪), মুখতাসার শামা-ইল (৮০) আবূ ঈসা বলেন, ইমাম বুখারী বলেছেন, মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক হতে, আস-সালত ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নাওফাল-এর সূত্রে বর্ণিত হাদীসটি হাসান সহীহ।
। জাফর ইবনু মুহাম্মাদ (রহঃ) হতে তার বাবার সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি (মুহাম্মাদ) বলেন, হাসান ও হুসাইন (রাঃ) তাদের বাঁ হাতে আংটি পরতেন। সহীহ, মাওকুফ, মুখতাসার শামা-ইল (৮২) এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
। হাম্মাদ ইবনু সালামা (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি ইবনু আবী রাফিকে তার ডান হাতে আংটি পরতে দেখেছি। আমি এ বিষয়ে তাকে প্রশ্ন করলে তিনি বললেন, আমি আবদুল্লাহ ইবনু জাফরকে তার ডান হাতে আংটি পরতে দেখেছি। আর আবদুল্লাহ ইবনু জাফর বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার ডান হাতে আংটি পরতেন। - সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩৭৪৭) ইমাম মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল (বুখারী) (রাহঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যে কতগুলো হাদীস এ অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে সেগুলোর মধ্যে এটাই বেশি সহীহ।
জামে তিরমিজি 1745SahihSahihHasan SahihIsnaad Sahih
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রুপা দিয়ে একটি আংটি তৈরী করান এবং এতে মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ খোদাই করান, তারপর বলেন, তোমরা এর উপর খোদাই কর না। সহীহ, মুসলিমও অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। তোমরা এর উপর “খোদাই কর না”-এর অর্থঃ তাদের কেউ তার আংটিতে যেন মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ খোদাই না করে।
। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মলত্যাগ করতে যাওয়ার সময় তার আংটি খুলে রাখতেন। যঈফ, ইবনু মাজাহ (৩০৩) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ গারীব।
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আংটির নকশা ছিল নিম্নরূপঃ এক পংক্তিতে মুহাম্মাদ, এক পংক্তিতে রাসূল' এবং এক পংক্তিতে ‘আল্লাহ। - সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩৬৩৯-৩৬৪০), বুখারী আনাস (রাঃ)-এর হাদীসটি হাসান সহীহ গারীব।
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আংটির নকশা তিন পংক্তির ছিলঃ এক পংক্তিতে মুহাম্মাদ, এক পংক্তিতে রাসূল' এবং এক পংক্তিতে আল্লাহ। সহীহ, দেখুন পূর্বের হাদীস মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াহইয়া তার বর্ণিত হাদীসে তিন সারির কথা উল্লেখ করেননি। এ অনুচ্ছেদে উমর (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে।
জামে তিরমিজি 1749SahihSahihHasan SahihIsnaad Sahih
। জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, ঘরের মধ্যে কোন ছবি রাখতে এবং তা বানাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। - সহীহ, সহীহা (৪২৪) আলী, আবূ তালহা, আইশা, আবূ হুরায়রা ও আবূ আইয়ুব (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। জবির (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদিসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
জামে তিরমিজি 1750SahihSahihHasan SahihIsnaad Sahih
। উবাইদুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু উতবা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি (অসুস্থ) আবূ তালহা আনসারী (রাঃ)-কে দেখতে যান। বর্ণনাকারী বলেন, আমি সেখানে সাহল ইবনু হুনাইফ (রাঃ)-কেও উপস্থিত পেলাম। তিনি আরও বলেন, আবূ তালহা (রাঃ) একজনকে ডাকেন নিচের চাদর সরানোর জন্য। সাহল (রাঃ) তাকে বললেন, কেন চাদর সরাবেন? তিনি বললেন, তাতে ছবি আঁকা আছে। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ সম্পর্কে যা বলেছেন তা তো তুমি জান। সাহল (রাঃ) বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি এ কথা বলেননি, “কিন্তু পোশাকে অল্প পরিমাণ অঙ্কিত কারুকার্য থাকলে কোন সমস্যা নেই?” আবূ তালহা (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ। কিন্তু উহাই (ছবি সরিয়ে ফেলা) আমার জন্য উত্তম। সহীহ, গাইয়াতুল মারাম (১৩৪) এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
জামে তিরমিজি 1751SahihSahihHasan SahihSahih - Bukhari And Muslim
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক কোন ছবি আঁকা, সে যে পর্যন্ত তাতে প্রাণ সঞ্চার করতে না পারবে সে পর্যন্ত আল্লাহ তা'আলা তাকে আযাব দিতে থাকবেন। অথচ সে কোন দিনও তাতে প্রাণ সঞ্চার করতে পারবে না। যে লোক কোন দল বা সম্প্রদায়ের গোপন কথা অগোচরে কান পেতে শুনে, অথচ তারা বিষয়টি তার কাছ থেকে গোপন রাখতে চায় তার কানে কিয়ামত দিবসে উত্তপ্ত সীসা ঢেলে দেওয়া হবে। সহীহ, গাইয়াতুল মারাম (১২০,৪২২), বুখারী, মুসলিম (১০) প্রথম অংশ আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ, আবূ হুরাইরা, আবূ জুহাইফা, আইশা ও ইবনু উমর (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
জামে তিরমিজি 1752SahihSahihHasan SahihIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ عُمَرَ بْنِ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " غَيِّرُوا الشَّيْبَ وَلاَ تَشَبَّهُوا بِالْيَهُودِ " . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ الزُّبَيْرِ وَابْنِ عَبَّاسٍ وَجَابِرٍ وَأَبِي ذَرٍّ وَأَنَسٍ وَأَبِي رِمْثَةَ وَالْجَهْدَمَةِ وَأَبِي الطُّفَيْلِ وَجَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ وَأَبِي جُحَيْفَةَ وَابْنِ عُمَرَ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ وَقَدْ رُوِيَ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم .
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা বার্ধক্যের শুভ্রতা পরিবর্তন করে দাও এবং ইয়াহুদীদের মতো হয়ো না। সহীহ, জিল বাবুল মারআহ (১৮৯), সহীহ (৮৩৬) যুবাইর, ইবনু আব্বাস, জাবির (ইবনু আবদুল্লাহ), আবূ যার, আনাস, আবূ রিমসা, জাহদামা, আবূত তুফাইল, জাবির ইবনু সামুরা, আবূ জুহাইফা ও ইবনু উমার (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। এটি একাধিক সূত্রে আবূ হুরাইরা (রাঃ) এর সূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত হয়েছে।
। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন মধ্যম আকৃতির। তিনি অধিক লম্বাও ছিলেন না আবার খাটোও ছিলেন না। তিনি সুঠাম শরীরের অধিকারী ছিলেন এবং তার গায়ের রং ছিল বাদামী। তার মাথার চুল কোকড়ানোও ছিল না আবার একেবারে সোজাও ছিল না। তিনি রাস্তায় চলাচলের সময় সামনের দিকে ঝুঁকে হাটতেন। সহীহ, মুখতাসার শামা-ইল (১, ২), নাসা-ঈ আইশা, বারাআ, আবু হুরায়রা, ইবনু আব্বাস, আবু সাইদ, জাবির, ওয়াইল ইবনু হুজর ও উম্মু হানী (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। হুমাইদ কর্তৃক বর্ণিত আনাস (রাঃ)-এর এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ গারীব বলেছেন।
জামে তিরমিজি 1755Hasan SahihHasan SahihHasan SahihIsnaad Hasan
। আইশা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একই পাত্র হতে পানি নিয়ে গোসল করতাম। তার বাবরি চুল কাঁধের উপরে কিন্তু কানের লতির নিচ পর্যন্ত প্রলম্বিত ছিল। হাসান সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৬০৪, ৩৬৩৫) এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা উল্লেখিত সনদসূত্রে হাসান সহীহ গারীব বলেছেন। উল্লেখিত হাদীসটি আরো কয়েকটি সূত্রে আইশা (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে। তবে তাতে “তার বাবরি চুল কাঁধের উপরে কিন্তু কানের লতির নিচ পর্যন্ত লম্বা ছিল কথাটুকু উল্লেখ নেই। (এই শেষের অংশটুকু আবদুর রাহমান ইবনু আবূয যিনাদ তার বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন।) তিনি একজন সিকাহ (আস্থাভাজন) বর্ণনাকারী এবং হাদীসের হাফিয ছিলেন। মালিক ইবনু আনাস তাকে সিকাহ বলেছেন এবং তার নিকট হতে হাদীস লিখার নির্দেশ দিতেন।
জামে তিরমিজি 1756SahihSahihHasan Sahih
। আবদুল্লাহ ইবনু মুগাফফাল (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বার বার চুল আচড়াতে বারণ করেছেন। সহীহ, সহীহা (৫০১) মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার ইয়াহিয়া ইবনু সাঈদ হতে, তিনি হিশামের সূত্রে হাসান হতে একইরকম হাদীস বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। আনাস (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে।
জামে তিরমিজি 1757SahihSahih
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা ইসমিদ সুরমা লাগাও। এটা চোখের জ্যোতি বাড়ায় এবং চোখের পাতার লোম গজায়। তিনি মনে করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একটি সুরমাদানি ছিল। তা হতে তিনি প্রতি রাতে তিনবার ডান চোখে এবং তিনবার বা চোখে সুরমা লাগাতেন। “তিনি মনে করেন" এই শব্দ ব্যতীত হাদীসটি সহীহ, মুখতাসার শামা-ইল (৪২) জাবির ও ইবনু উমার (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ গারীব বলেছেন। আমরা এ হাদীসটি শুধুমাত্র আব্বাদ ইবনু মানসূরের সূত্রে উক্ত শব্দে জেনেছি। এ হাদীসটি আলী ইবনু হুজর ও মানসূর (রাহঃ)-এর সূত্রেও একইরকম বর্ণিত হয়েছে। একাধিক সূত্রে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “তোমরা অবশ্যই ইসমিদের সুরমা লাগাও, এটা চোখের জ্যোতি বাড়ায় এবং চোখের পাতার লোম গজায়।” সহীহ, মিশকাতুল মাসা-বীহ
জামে তিরমিজি 1758SahihSahihHasan SahihIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الإِسْكَنْدَرَانِيُّ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ لُبْسَتَيْنِ الصَّمَّاءِ وَأَنْ يَحْتَبِيَ الرَّجُلُ بِثَوْبِهِ لَيْسَ عَلَى فَرْجِهِ مِنْهُ شَيْءٌ . قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ عَلِيٍّ وَابْنِ عُمَرَ وَعَائِشَةَ وَأَبِي سَعِيدٍ وَجَابِرٍ وَأَبِي أُمَامَةَ . وَحَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ وَقَدْ رُوِيَ هَذَا مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم .
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাপড় পরার দুইটি পদ্ধতি নিষিদ্ধ করেছেন। একটি কাঁধ উদম রেখে একই চাদর পুরো গায়ে জড়িয়ে নেওয়া; একই পোশাকে পেট, উরু ও পায়ের গোছা ঢেকে নিতম্ব মাটিতে ঠেকিয়ে দুই হাটু উঁচু করে বসা এবং লজ্জাস্থানে এর কোন অংশ না থাকা। সহীহ, নাসা-ঈ আবূ ঈসা বলেন, আলী, ইবনু উমার, আইশা, আবূ সাঈদ, জাবির ও আবূ উমামা (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটি এই সূত্রে হাসান সহীহ্ গারীব। এ হাদীসটি আরো কয়েকটি সূত্রে আবৃ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে।
জামে তিরমিজি 1759SahihSahihHasan SahihSahih - Agreed Upon
। বারাআ ইবনু আযিব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন রেশম দ্বারা বানানো আসনে বসতে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ওয়াসাল্লাম বারণ করেছেন। সহীহ, আদাবুয যিফাফ (১২৫), মিশকাত তাহকীক ছানী (৪৩৫৮), সহীহা (২৩৯৬), নাসা-ঈ হাদীসে আরও ঘটনা আছে। আলী ও মুআবিয়া (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। বারাআ (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটি হাসান সহীহ। এ হাদীসটি আশআস ইবনু আবূশ শাসা হতে শুবা একইরকম বর্ণনা করেছেন।
জামে তিরমিজি 1761SahihSahihHasan SahihSahih - Agreed Upon
। আইশা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ঘুমানোর বিছানাটি ছিল চামড়া দিয়ে বানানো। এর ভিতরে খেজুর গাছের বাকল ভর্তি ছিল। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৪১৫১), নাসা-ঈ এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। হাফসা ও জাবির (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে।
। উম্মু সালামা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট সবচাইতে পছন্দের পোশাক ছিল জামা। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩৫৭৫) এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান গারীব বলেছেন। আব্দুল মু'মিন ইবনু খালীদের হাদীস হিসেবেই এটি আমরা জানতে পেরেছি। তিনি এককভাবে এটি বর্ণনা করেছেন। কিছু বর্ণনাকারী উম্মু সালামা (রাঃ)-এর এ হাদীসটি আবূ তুমাইলা-আবদুল মু'মিন ইবনু খালিদ হতে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনু বুরাইদা হতে, তিনি তার মায়ের সূত্রেও বর্ণনা করেছেন।
। উম্মু সালামা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, জামা-ই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট সবচাইতে প্রিয় পোশাক ছিল। সহীহ, দেখুন পূর্বের হাদীস। আবূ ঈসা বলেন, আমি মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল (বুখারী)-কে বলতে শুনেছি, আব্দুল্লাহ ইবনু বুরাইদা কর্তৃক তার মায়ের বরাতে উম্মু সালামা হতে বর্ণিত হাদীস অধিক সহীহ। এই বর্ণনা সূত্রে আবূ তুমাইলা তার মা হতে এভাবে উল্লেখ আছে।
জামে তিরমিজি 1764SahihHasan
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، أَخْبَرَنَا الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى، عَنْ عَبْدِ الْمُؤْمِنِ بْنِ خَالِدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ كَانَ أَحَبَّ الثِّيَابِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْقَمِيصُ .
। উম্মু সালামা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সবচাইতে পছন্দনীয় পোশাক ছিল জামা। সহীহ, দেখুন পূর্বের হাদীস
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন জামা পরতেন, তখন ডান দিক হতে পরা আরম্ভ করতেন। সহীহ, মিশকাত তাহকীক ছানী (৪৩৩০) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি শুবার সূত্রে একাধিক বর্ণনাকারী বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এটাকে তাদের কেউই মারফুভাবে বর্ণনা করেননি। এটাকে শুধু আবদুস সামাদ মারফু হাদীস হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
জামে তিরমিজি 1767SahihSahihHasan
। আবূ সাঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নতুন কাপড় পরার সময় প্রথমে সেটির নাম নিতেন। যেমন পাগড়ী, জামা অথবা চাদর। তারপর তিনি বলতেনঃ “হে আল্লাহ! সকল প্রশংসা তোমার জন্য। এটা তুমি আমাকে পরিয়েছো। আমি তোমার নিকট এর মধ্যে নিহিত কল্যাণ এবং যে উদ্দেশ্যে এটা বানানো হয়েছে তার কল্যাণ চাইছি। আর এর মধ্যে নিহিত ক্ষতি এবং যে উদ্দেশ্যে এটা বানানো হয়েছে তার অনিষ্ট হতে তোমার আশ্রয় চাই”। সহীহ, মিশকাত (৪৩৪২) উমার ও ইবনু উমার (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। হিশাম ইবনু ইউনুস কৃফী কাসিম ইবনু মালিক আল মুযানী হতে জুরাইরীর সূত্রে একই রকম হাদীস বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসটি হাসান গারীব সহীহ।
। মুগীরা ইবনু শুবা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দাহিয়া আল-কালবী (রাঃ) একজোড়া চামড়ার মোজা উপহার দিয়েছিলেন। তিনি তা পরিধান করেন। সহীহ, মুখতাসার শামা-ইল
জামে তিরমিজি 1770HasanHasanHasan
। আরফাজা ইবনু আসআদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, জাহিলী আমলে কুলাবের যুদ্ধে আমার নাক আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে নষ্ট হয়ে যায়। আমি রুপার একটি নাক বাধিয়ে নিলাম। কিন্তু আমি তাতে দুৰ্গন্ধ অনুভব করি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে একটি স্বর্ণের নাক বানিয়ে নিতে বললেন। হাসান, মিশকাত তাহকীক ছানী (৪৪০০) আলী ইবনু হুজর রাবী ইবনু বাদর হতে এবং মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াযীদ আল-ওয়াসিতী আবূল আশহাব হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান গারীব বলেছেন। আমরা এ হাদীস সম্বন্ধে শুধু আবদুর রাহমান ইবনু তারাফার সূত্রে জেনেছি। সালম ইবনু যারীর ও আব্দুর রহমান ইবনু তারাফার সুত্রে আবুল আশহাবের হাদিসের মতই বর্ণনা করেছেন। অসংখ্য অভিজ্ঞ আলিম হতে বর্ণিত আছে, তারা নিজেদের দাঁত স্বর্ণ দ্বারা বাধিয়ে নিয়েছেন। এ হাদীসটি তাদের দলীল। আবদুর রাহমান ইবনু মাহদী বলেন, সালম ইবনু জারীর বলা অমূলক বরং ইবনু ওয়া জারীর সঠিক। আবূ সাঈদ আস-সানআনীর নাম মুহাম্মাদ, পিতা মুইয়াসসির।
জামে তিরমিজি 1771SahihHasan
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ يَزِيدَ الرِّشْكِ، عَنْ أَبِي الْمَلِيحِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ نَهَى عَنْ جُلُودِ السِّبَاعِ . وَهَذَا أَصَحُّ .
। আবূল মালীহ (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, হিংস্র প্রাণীর চামড়া ফরাশ হিসাবে ব্যবহার করতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বারণ করেছেন। সহীহ, সহীহা (১০১১), মিশকাত (৫০৬) আবূল মালীহ (রহঃ) হতে তার বাবার সূত্রে বর্ণিত আছে, হিংস্র প্রাণীর চামড়া কাজে লাগানোকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষিদ্ধ করেছেন। সহীহ দেখুন পূর্বের হাদীস মুআয ইবনু হিশাম-তার পিতা হতে, তিনি কাতাদা হতে, তিনি আবূল মালীহ হতে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি হিংস্র প্রাণীর চামড়া কাজে লাগানোকে অপছন্দ বলে মনে করেন। সহীহ, দেখুন পূর্বের হাদীস আবূ ঈসা বলেন, এই হাদীসের সনদ “আবূল মালীহ-তার পিতা হতে” এভাবে সাঈদ ইবনু আবূ আরূবা ছাড়া আর কেউ বর্ণনা করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। ১৭৭১/২। আবূল মালীহ (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, হিংস্র প্রাণীর চামড়া ব্যবহারকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। সহীহ দেখুন পূর্বের হাদীস এই বর্ণনাটিই অনেক বেশি সহীহ (কারণ স্মরণ শক্তির দিক হতে শুবা (রহঃ) সাঈদ ইবনু আবূ আরবার চাইতে অগ্রগণ্য)।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ قُلْتُ لأَنَسِ بْنِ مَالِكٍ كَيْفَ كَانَ نَعْلُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لَهُمَا قِبَالاَنِ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
। কাতাদা (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে আমি প্রশ্ন করলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জুতাজোড়া কেমন ছিল? তিনি বললেন, এর দু'টি করে ফিতা ছিল। সহীহ, মুখতাসার শামা-ইল (৬০, ৬২) এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জুতাজোড়ার দু'টি করে ফিতা ছিল। সহীহ, মুখতাসার শামা-ইল (৬০, ৬২) এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। ইবনু আব্বাস ও আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে।
জামে তিরমিজি 1774SahihSahihHasan SahihSahih - Agreed Upon
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এক পায়ে জুতা পরে যেন তোমাদের কেউ না হঁটে। হয় সে দুটো পায়ে জুতা পরবে অথবা দুটো পা-ই উদম রাখবে। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩৬১৭), নাসা-ঈ এ হাদিসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। জাবির (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে।
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, দাঁড়ানো অবস্থায় কাউকে জুতা পরতে ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩৬১৮) এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা গারীব বলেছেন। এ হাদীসটি আনাস (রাঃ) হতেও অন্য সূত্রে (নিম্নে দ্র.) বর্ণিত আছে। কিন্তু হাদীস বিশারদগণের মতে এই দুইটি হাদীস সহীহ নয়। তারা মনে করেন হারিস ইবনু নাবহান হাদীসের হাফিয নন। তাছাড়া কাতাদা-আনাস (রাঃ)-এর সূত্রে এ হাদীসের কোন ভিত্তি আছে বলে আমাদের জানা নেই।
। আইশা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, এক পায়ে জুতা পরে তিনি চলাফিরা করেছেন। সহীহ, প্রাগুক্ত এই বর্ণনাটি অনেক বেশি সহীহ। আবূ ঈসা বলেন, এটাকে আবদুর রাহমান ইবনুল কাসিমের সূত্রে সুফিয়ান সাওর ও অপরাপর বর্ণনাকারীগণ মওকুফভাবে বর্ণনা করেছেন।
জামে তিরমিজি 1779SahihSahihHasan SahihSahih - Agreed Upon
। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ জুতা পরার সময় আগে ডান পায়ে জুতা পরবে এবং তা খোলার সময় আগে বাম পায়ের জুতা খুলবে। অতএব জুতা পরার সময় ডান পা প্রথম হবে এবং খোলার সময় ডান পা দ্বিতীয় হবে। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩৬১৬), মুসলিম এবং বুখারীও একই অর্থে হাদীস বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।
। আইশা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেছেনঃ তুমি যদি আমার সাথে মিলিত হতে চাও তবে একজন সফরকারীর মত পাথেয় নিয়ে দুনিয়াতে খুশি থাক। আর তুমি ধনীদের সাথে উঠা-বসা ও মেলামেশার ব্যাপারে সতর্ক থাক। তোমার পরনের পোশাক পুরাতন হলেও তাতে তালি না লাগানো পর্যন্ত তা বাতিল করো না। খুবই দুর্বল, যঈফা (১২৯৪), তা’লীকুর রাগীব (৪৯৮), মিশকাত, তাহকীক ছানী (৪৩৪৪) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব। শুধু সালিহ ইবনু হাসসানের সূত্রেই আমরা এ হাদীস জেনেছি। ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেছেন, সালিহ ইবনু হাসসান একজন প্রত্যাখ্যাত রাবী। কিন্তু সালিহ ইবনু আবূ হাসসান সিকাহ রাবী, তার সূত্রে ইবনু আবূ যিব হাদীস বর্ণনা করেছেন। “ধনীদের সাথে উঠা-বসার ব্যাপারে সতর্ক থাক”, এই বাক্যের তাৎপর্য আবূ হুরাইরা (রাঃ) বর্ণিত নিম্নোক্ত হাদীসের মতইঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “কেউ যদি দেখে যে, অন্য কোন ব্যক্তিকে তার চেয়ে সুন্দর দৈহিক গঠন ও ধন-সম্পদের অধিকারী করা হয়েছে, তবে সে যেন এই ক্ষেত্রে তার নিজের তুলনায় যাকে কম দেয়া হয়েছে এবং যার উপর তাকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে, তার দিকে দেখে। তাহলে সে (নিজের প্রতি) আল্লাহ তা'আলা প্রদত্ত সুযোগ-সুবিধাকে তুচ্ছজান করবে না।" আওন ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু উতবা (রাঃ) বলেন, আমি ধনীদের সাথে উঠা-বসা করি। আমি নিজের চাইতে বেশী বিষন্ন অন্য কাউকে অনুভব করি না। (আমার ভারাক্রান্ত হৃদয় হওয়ার কারণ এই যে) তাদের যান-বাহন ও পোশাক-পরিচ্ছদ আমার চেয়েও অনেক ভাল দেখতে পাই। আর আমি যখন গরীব লোকদের সাথে মেলামেশা করি তখন অনেক বেশী শান্তি অনুভব করি।
। হুযাইফা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার বা তার জঙ্ঘা (হাটুর নিচের মাংসপেশী) ধরে বলেনঃ এটা হল লুঙ্গি বা পায়জামার জায়গা। তুমি না মানতে চাইলে আরও নিচে নামাতে পার। যদি তাও মানতে রাজী না হও তবে জেনে রাখ, লুঙ্গি-পায়জামার পায়ের গোছা স্পর্শ করার কোন অধিকার নেই। সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩৫৭২) এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ্ বলেছেন। এ হাদীসটি আবৃ ইসহাকের সূত্রে শুবা এবং সুফিয়ান সাওরীও বর্ণনা করেছেন।
জামে তিরমিজি 1784DaifDaifDaif
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَبِيعَةَ، عَنْ أَبِي الْحَسَنِ الْعَسْقَلاَنِيِّ، عَنْ أَبِي جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ رُكَانَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رُكَانَةَ، صَارَعَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَصَرَعَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم قَالَ رُكَانَةُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " إِنَّ فَرْقَ مَا بَيْنَنَا وَبَيْنَ الْمُشْرِكِينَ الْعَمَائِمُ عَلَى الْقَلاَنِسِ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ وَإِسْنَادُهُ لَيْسَ بِالْقَائِمِ . وَلاَ نَعْرِفُ أَبَا الْحَسَنِ الْعَسْقَلاَنِيَّ وَلاَ ابْنَ رُكَانَةَ .
। আবূ জাফর ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু রুকান (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। রুকানা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে কুস্তি লড়েন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ভূপাতিত করেন। রুকানা (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ চারাল্পাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ আমাদের ও মুশরিকদের মধ্যে পার্থক্য হল টুপির উপর পাগড়ী পরা। যঈফ, মিশকাত (৪৩৪০), ইরওয়া (১৫০৩) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব। এর সনদ সঠিক নয়। আমরা আবূল হাসান আসকালানীকেও চিনি না এবং ইবনু রুকানাকেও না।
। আবদুল্লাহ ইবনু বুরাইদা (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। বুরাইদা (রাঃ) বলেছেন, এক ব্যক্তি লোহার আংটি পরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকটে এলে তিনি বলেনঃ তোমার কাছ থেকে জাহান্নামবাসীদের অলংকার ফেলে দাও। সে ফিরে গিয়ে আবার পিতলের আংটি পরে তার নিকটে এলে তিনি বললেনঃ কি ব্যাপার! আমি তোমার হতে মূর্তির গন্ধ পাচ্ছি। এবার সে ফিরে গিয়ে সোনার আংটি পরে তার নিকটে এলে তিনি বললেনঃ কি ব্যাপার! আমি তোমাকে জান্নাতীদের অলংকার পরা দেখতে পাচ্ছি? তখন সে বলল, আমি কিসের আংটি বানাব? তিনি বললেনঃ এক মিসকালের (সাড়ে চার মাসা) কম রূপা দিয়ে আংটি বানাও। যঈফ, মিশকাত (৪৩৯৬), আদাবু যিফাফ (১২৮) আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব। এ অনুচ্ছেদে আবদুল্লাহ ইবনু আমর এবং আব্দুল্লাহ ইবনু মুসলিম (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবদুল্লাহ ইবনু মুসলিমের ডাকনাম আবূ তাইবা আল-মারওয়ায়ী।
। আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আলী (রাঃ)-কে আমি বলতে শুনেছিঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে রেশমী কাপড় পরতে, লাল জিনপোষের উপর বসতে এবং আমার আংটি এই এই আঙ্গুলে পরতে বারণ করেছেন। এই বলে তিনি তার তর্জনী ও মধ্যমার দিকে ইশারা করেন। এই অথবা এই আঙ্গুলে শব্দে হাদীসটি সহীহ, বর্ণনাকারী আসিম সন্দেহ করেছেন। যঈফা (৫৪৯৯), মুসলিম এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। আবূ মূসা (রাঃ)-এর ছেলের নাম আমির এবং উপনাম আবূ বুরদা। পিতা আব্দুল্লাহ ইবনু কাইস।
জামে তিরমিজি 1787SahihSahihHasan SahihSahih - Agreed Upon
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ كَانَ أَحَبَّ الثِّيَابِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَلْبَسُهَا الْحِبَرَةُ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ .
। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেসব পোশাক পরতেন তার মধ্যে আঁচলবিশিষ্ট (ইয়ামানী) চাদর তার নিকট সবচাইতে বেশি পছন্দের ছিল। সহীহ, মুখতাসার শামা-ইল মুহাম্মাদীয়া (৫১), নাসা-ঈ এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ গারীব বলেছেন।
মূল পাঠ, অনুবাদ ও মান নির্ণয়: ওপেন-সোর্স Hadith API (fawazahmed0/hadith-api)। মান নির্ণয়গুলো উল্লিখিত মুহাদ্দিসদের।