حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ الْمَازِنِيُّ، أَخْبَرَنَا الْجُرَيْرِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ، أَنَّ رَجُلاً، مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم رَحَلَ إِلَى فَضَالَةَ بْنِ عُبَيْدٍ وَهُوَ بِمِصْرَ فَقَدِمَ عَلَيْهِ فَقَالَ أَمَا إِنِّي لَمْ آتِكَ زَائِرًا وَلَكِنِّي سَمِعْتُ أَنَا وَأَنْتَ حَدِيثًا مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَجَوْتُ أَنْ يَكُونَ عِنْدَكَ مِنْهُ عِلْمٌ . قَالَ وَمَا هُوَ قَالَ كَذَا وَكَذَا قَالَ فَمَا لِي أَرَاكَ شَعِثًا وَأَنْتَ أَمِيرُ الأَرْضِ قَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَنْهَانَا عَنْ كَثِيرٍ مِنَ الإِرْفَاهِ . قَالَ فَمَا لِي لاَ أَرَى عَلَيْكَ حِذَاءً قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَأْمُرُنَا أَنْ نَحْتَفِيَ أَحْيَانًا .
। আব্দুল্লাহ ইবনু বুরাইদাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর এক সাহাবী মিসরে অবস্থানরত ফাদালাহ ইবনু উবাইদ (রাঃ)-এর নিটক পৌঁছেন। অতঃপর তিনি বলেন, আমি কেবল আপনার সাথে সাক্ষাৎ করতে আসিনি, বরং আমি এবং আপনি যে হাদীসটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট শুনেছি, আশা করি এ সম্পর্কে আপনার কিছু জানা আছে। তিনি বললেন, তা কোন্ বিষয়ে? তিনি বললেন, এরূপ এরূপ। তিনি বললেন, আপনি একটি স্থানের নেতা, অথচ আপনার মাথার চুল উষ্কখুষ্ক দেখছি? সাহাবী বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে মাত্রাতিরিক্ত জাঁকজমক দেখতে নিষেধ করেছেন। তিনি (ফাদালাহ) বলেন, আপনার পায়ের জুতা দেখছি না কেন? তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে মাঝে মধ্যে খালি পায়ে চলার আদেশ দিতেন।[1] সহীহ।
সুনানে আবু দাউদ 4161SahihSahihDaif
حَدَّثَنَا النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أُمَامَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، قَالَ ذَكَرَ أَصْحَابُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمًا عِنْدَهُ الدُّنْيَا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَلاَ تَسْمَعُونَ أَلاَ تَسْمَعُونَ إِنَّ الْبَذَاذَةَ مِنَ الإِيمَانِ إِنَّ الْبَذَاذَةَ مِنَ الإِيمَانِ " . يَعْنِي التَّقَحُّلَ . قَالَ أَبُو دَاوُدَ هُوَ أَبُو أُمَامَةَ بْنُ ثَعْلَبَةَ الأَنْصَارِيُّ .
। আবূ উমামাহ সালাবাহ আল-আনসারী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণ তাঁর সামনে দুনিয়াদারী সম্পর্কে আলোচনা করেছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা কি শুনতে পাও না, তোমরা কি শুনতে পাও না যে, পোশাক-পরিচ্ছদের নম্রতা প্রকাশ ঈমানের অঙ্গ, পোশাক-পরিচ্ছদে নম্রতা প্রকাশ ঈমানের অঙ্গ অর্থাৎ পোশাক-পরিচ্ছদে বাবুগিরী প্রদর্শন না করা।[1] সহীহ।
সুনানে আবু দাউদ 4162SahihSahihSahihIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ، عَنْ شَيْبَانَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُخْتَارِ، عَنْ مُوسَى بْنِ أَنَسٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ كَانَتْ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم سُكَّةٌ يَتَطَيَّبُ مِنْهَا .
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর একটি উত্তম আতরদানি ছিলো, তিনি তা থেকে সুগন্ধি ব্যবহার করতেন।[1] সহীহ।
সুনানে আবু দাউদ 4163Hasan SahihHasan SahihHasanIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ الْمَهْرِيُّ، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، حَدَّثَنِي ابْنُ أَبِي الزِّنَادِ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ كَانَ لَهُ شَعْرٌ فَلْيُكْرِمْهُ " .
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার মাথায় চুল আছে সে যেন এর যত্ন নেয়।[1] হাসান সহীহ।
। ইয়াহইয়া ইবনু আবূ কাসির (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, কারীমাহ বিনুত হাম্মাম (রহঃ) আমাকে বর্ণনা করেন যে, এক মহিলা মেহেদীর খেযাব লাগানো সম্পর্কে আয়িশাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, এটা ব্যবহারে কোনো দোষ নেই; তবে আমি তা অপছন্দ করি। কারণ আমার প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটির গন্ধ অপছন্দ করতেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, অর্থাৎ মাথার চুলের খেযাব।[1] দুর্বল।
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। ‘উতবাহর কন্যা হিন্দ (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর নবী! আমার বাই‘আত নিন। তিনি বলেনঃ তুমি তোমার দু’ হাতের তালু পরিবর্তন না করা পর্যন্ত তোমাকে বাই‘আত করাবো না। সে দু’টি যেন হিংস্র প্রাণীর থাবার ন্যায়।[1] দুর্বল।
সুনানে আবু দাউদ 4166HasanHasanDaifDaif
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الصُّورِيُّ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، حَدَّثَنَا مُطِيعُ بْنُ مَيْمُونٍ، عَنْ صَفِيَّةَ بِنْتِ عِصْمَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ أَوْمَتِ امْرَأَةٌ مِنْ وَرَاءِ سِتْرٍ بِيَدِهَا كِتَابٌ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَبَضَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَدَهُ فَقَالَ " مَا أَدْرِي أَيَدُ رَجُلٍ أَمْ يَدُ امْرَأَةٍ " . قَالَتْ بَلِ امْرَأَةٌ . قَالَ " لَوْ كُنْتِ امْرَأَةً لَغَيَّرْتِ أَظْفَارَكِ " . يَعْنِي بِالْحِنَّاءِ .
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক মহিলা পর্দার আড়াল থেকে একটি কিতাব হাতে নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দিকে বাড়িয়ে দিলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর হাত না বাড়িয়ে বললেনঃ আমি বুঝতে পারছি না এটা কোনো পুরুষের হাত না কি নারীর হাত? সে বললো, বরং নারীর হাত। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তুমি মহিলা হলে অবশ্যই তোমার নখগুলো মেহেদীর রঙ দ্বারা রঞ্জিত করতে।[1] হাসান।
সুনানে আবু দাউদ 4167SahihSahihSahih Bukhari (3468) Sahih Muslim (2127)
। হুমাইদ ইবনু আব্দুর রাহমান (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। মু‘আবিয়াহ (রাঃ) তার রাজত্বকালে হজ (হজ্জ) উপলক্ষে এক সমাবেশে মিম্বারে দাঁড়ালেন। তিনি তার দেহরক্ষী পুলিশের হাত থেকে এক গুচ্ছ কৃত্রিম চুল নিজ হাতে নিয়ে সবাইকে সম্বোধন করে বললেন, হে মদীনাবাসী! তোমাদের আলেমগণ কোথায়? আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এটা ব্যবহার করতে নিষেধ করতে শুনেছি এবং আমি তাঁকে বলতে শুনেছি যে, বনী ইসরাঈলের নারীরা এ কৃত্রিম চুল ব্যবহারে অভ্যস্ত হওয়ায় ধ্বংস হয়েছে।[1] সহীহ।
সুনানে আবু দাউদ 4168SahihSahihSahihSahih Bukhari (5947) Sahih Muslim (2124)
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، وَمُسَدَّدٌ، قَالاَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، قَالَ حَدَّثَنِي نَافِعٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْوَاصِلَةَ وَالْمُسْتَوْصِلَةَ وَالْوَاشِمَةَ وَالْمُسْتَوْشِمَةَ .
। আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অভিসাপ দিয়েছেন ঐ সব নারীদেরকে যারা পরচুলা তৈরী করে, যারা তা ব্যবহার করে, যারা দেহে উল্কি লাগিয়ে দেয় এবং যারা উল্কি লাগায়।[1] সহীহ।
সুনানে আবু দাউদ 4169SahihSahihSahih Bukhari (5931) Sahih Muslim (2125)
। আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহ লা‘নত করেছেন ঐ নারীদের যে নারী উল্কি আঁকে ও যার দেহে অঙ্কন করানো হয়। মুহাম্মাদ (রহঃ) বলেন, ‘‘যারা কৃত্রিম চুল ব্যবহার করে।’’ উসমান (রহঃ) বলেন, ‘‘এবং যারা কপালের উপরের চুল উপকিয়ে কপাল প্রশস্ত করে।’’ অতঃপর তারা দু’জনেই একমত হয়ে বলেন, ‘‘এবং যারা সৌন্দর্য লাভের জন্য রেতি ইত্যাদি দ্বারা দাঁত ঘর্ষণ করে সরু করে দাঁতের মধ্যে ফাঁক সৃষ্টি করে, আল্লাহর সৃষ্টির পরিবর্তন করে এবং তাদের প্রতি লা‘নত। তিনি বলেন, বনী আসাদের উম্মু ইয়াকূব নাম্নী এক মহিলা একথা শুনেন এবং ঐ মহিলা কুরআন পড়তেন।’ পরে উভয়ে একমত হয়ে বলেন, মহিলাটি তার নিকট এসে বলেন, শুনতে পেলাম আপনি না কি ঐ সব নারীদের অভিসাপ দিয়েছেন, যারা দেহে উল্কি লাগায়, কৃত্রিম চুল ব্যবহার করে, কপালের উপরের চুল উপকিয়ে কপাল প্রশস্ত করে এবং যারা রেতী ইত্যাদি দ্বারা দাঁত ঘষে সরু করে, (উসমান বলেন), যারা আল্লাহর সৃষ্টির পরিবর্তন করে। আব্দুল্লাহ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাদের প্রতি অভিসাপ দিয়েছেন, আমি তাদের অভিসাপ দিবো না এ কেমন কথা? অথচ এ বিষয়টি মহান আল্লাহর কিতাবে বিদ্যমান। মহিলা বলেন, আমি তো এ কিতাবের আদ্যোপান্ত পড়েছি; কিন্তু এ কথা তো পাইনি। তিনি বলেন, ‘‘আল্লাহর কসম! তুমি (ভালভাবে) পড়লে অবশ্যই তা পেয়ে যেতে।’’ অতঃপর তিনি তিলাওয়াত করলেনঃ (অর্থ) ‘‘আর রাসূল তোমাদেরকে যা দেন তা গ্রহণ করো, আর যা থেকে তোমাদের বিরত রাখেন, তা থেকে বিরত থাকো, আর আল্লাহকে ভয় করো; নিঃসন্দেহে আল্লাহ কঠোর শাস্তিদাতা।’’ (সূরা হাশরঃ ৭)। মহিলা বললেন, আমি আপনার স্ত্রীকে দেখেছি, তিনি এসবের কিছু কিছু করেন। তিনি বললেন, তাহলে তুমি ভেতরে গিয়ে দেখে আসো। অতঃপর তিনি ভেতরে ঢুকে বেরিয়ে এলেন। তিনি (আব্দুল্লাহ) বললেন, কি দেখলেন? উসমান বলেন, তিনি বেরিয়ে এসে বললেন, না এসব করতে দেখিনি। তিনি বললেন, এসব থাকলে সে আমার সাথে থাকতে পারতো না।[1] সহীহ।
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোনো অসুস্থতা ছাড়া যেসব নারী পরচুলা তৈরী করে, যে নারী তা ব্যবহার করে, যে নারী ভ্রুর চুল উপড়ে ফেলে এবং যে নারী দেহে উল্কি অংকন করে তাদেরকে অভিসম্পাত করা হয়েছে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, الواصله শব্দের ব্যাখ্যা হলো, যে নারী অন্য নারীর চুলের সাথে কৃত্রিম চুল সংযোজন করে। অর্থাৎ হলো, وَالْمُسْتَوْصِلَةُ যে নারী এরূপ কৃত্রিম চুল ব্যবহার করে। النامصة অর্থ যে নারী সরু করার জন্য চুল উপড়িয়ে দেয়, অর্থ হলো, যে নারী এ কাজ করায়। المتنمصة অর্থ হলো, যে নারী চেহারায় সুরমা বা রঙের কালি দিয়ে চিত্র অঙ্কিত করে। المستوشمة অর্থ হলো যে নারী এ কাজ করায়।[1] সহীহ।
। সাঈদ ইবনু যুবায়র (রহঃ) বলেন, নারীদের জন্য রেশমী ও পশমী সূতার কৃত্রিম চুর ব্যবহারে দোষ নেই। ইমাম আবূ দাঊধ (রহঃ) বলেন, মনে হয় তার মতে নারীদের চুল দ্বারা তৈরী পরচুলা ব্যবহার নিষিদ্ধ। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ইমাম আহমাদ (রহঃ)-এর মত হলো, রেশমী ও পশমী সূতার কৃত্রিম ব্যবহারে অসুবিধা নেই।[1] দুর্বল মাকতু মুনকার।
সুনানে আবু দাউদ 4172SahihSahihSahihSahih Muslim (2253)
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কাউকে সুগন্ধি বস্তু উপহার দেয়া হলে সে যেন তা ফিরিয়ে না দেয়। কারণ তা উত্তম সুগন্ধি এবং তা সহজে বহনযোগ্য।[1] সহীহ।
। আবূ মূসা (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ নারীরা যখন সুগন্ধি লাগিয়ে জনসমাজকে এর গন্ধ বিলানোর জন্য তাদের পাশ দিয়ে যাতায়াত করে, সে তখন এরূপ এরূপ। একথা বলে তিনি একটি কঠোর মন্তব্য করেন।[1] হাসান।
সুনানে আবু দাউদ 4174SahihSahihHasan LighairihiHasan
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা আমার সাথে এক মহিলার দেখা হলো, যার শরীর থেকে সুগন্ধি বের হচ্ছিল এবং তার (পাতলা) কাপড়ও বাতাসে উড়ছিল। তখন আমি তাকে বলি, হে বেহায়া মহিলা! তুমি কি মাসজিদ থেকে আসছো? সে বললো, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তুমি কি খুশবু ব্যবহার করেছো? সে বললো, হ্যাঁ। তখন আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেন, আমি আমার প্রিয় আবুল কাসিম [রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম]-কে বলতে শুনেছিঃ যে মহিলা খুশবু লাগিয়ে এ মসজিদে আসে, তার সালাত কবুল হয় না, যতক্ষণ না সে ফিরে গিয়ে নাপাকী গোসলের ন্যায় গোসল করে। (এমন উত্তমরূপে গোসল করে যাতে তার দেহে কোনো সুগন্ধি না থাকে)।[1] সহীহ।
সুনানে আবু দাউদ 4175SahihSahihSahihSahih Muslim (444)
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে কোনো নারী সুগন্ধি লাগাবে, সে যেন আমাদের সাথে ইশার সালাতে উপস্থিত না হয়।[1] সহীহ।
। আম্মার ইবনু ইয়াসির (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘এক রাতে দু’ হাত ফাঁটা অবস্থায় আমি আমার পরিবারের কাছে হাজির হলে তারা আমার দু’ হাতে জাফরান রঙের প্রলেপ লাগিয়ে দেয়। পরদিন সকালে আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাঁকে সালাম করলে তিনি আমার সালামের জবাব দেননি এবং মারহাবাও বলেননি বরং তিনি বলেনঃ তুমি ফিরে যাও এবং একে ধুয়ে ফেলো। আমি তা ধুয়ে পুনরায় তাঁর নিকট হাজির হই, কিন্তু সে রঙের কিছুটা তখনও অবশিষ্ট ছিলো। এরপর আমি তাকে সালাম দিলে তিনি আমার সালামের জবাব দেননি। এবং মারহাবাও বলেননি। তিনি বলেনঃ ফিরে যাও এবং হাত থেকে এর রঙ ধুয়ে ফেলো। আমি ফিরে গিয়ে ধুয়ে ফেলে তাঁর কাছে এসে তাঁকে সালাম করি। তখন তিনি আমার সালামের জবাব দেন এবং মারহাবা বলেন। তখন তিনি বলেন, ফিরিশতারা কাফিরের জানাযা, জাফরান রঙ ব্যবহারকারী ও অপবিত্র লোকদের নিকট আসে না। তবে তিনি নাপাক অবস্থায় উযু করার পর পানাহার করতে ও নিদ্রা যেতে অনুমতি দিয়েছেন।[1] হাসান।
। আম্মার ইবনু ইয়াসির (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি কুসম রঙ ব্যবহার করেছিলাম... অতঃপর পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ ঘটনা। তবে প্রথম সূত্রের ঘটনা পূর্ণাঙ্গ। বর্ণনাকারী বলেন, আমি উমার ইবনুল আতা (রহঃ)-কে বললাম, লোকজন কি ইহরাম অবস্থায় ছিলো? তিনি বলেন, না। ইহরামহীন ছিলো।[1] হাসান।
। আর-রবী‘ ইবনু আনাস (রহঃ) থেকে তার দু’ জন দাদা ও নানার সূত্রে বর্ণিত। তারা বলেন, আমরা আবূ মূসা (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার শরীরে সামান্য পরিমাণও জাফরান থাকে, আল্লাহ তার সালাত কবূল করেন না। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, তার দু’ দাদা বা নানার নাম হলো যায়িদ ও যিয়াদ।[1] দুর্বল।
সুনানে আবু দাউদ 4179SahihSahihSahih Muslim (2101)
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، أَنَّ حَمَّادَ بْنَ زَيْدٍ، وَإِسْمَاعِيلَ بْنَ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَاهُمْ عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ صُهَيْبٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ التَّزَعْفُرِ لِلرِّجَالِ وَقَالَ عَنْ إِسْمَاعِيلَ أَنْ يَتَزَعْفَرَ الرَّجُلُ .
। আনাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুরুষদের জন্য জাফরান রঙ ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছেন।[1] সহীহ।
। আম্মার ইবনু ইয়াসির (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তিন প্রকার ব্যক্তির নিকট ফিরিশতারা আসেন না। (১) কাফিরের লাশের নিকট (জানাযায়). (২) জাফরান রঙ ব্যবহারকারী এবং (৩) নাপাক ব্যক্তির নিকট, তবে সে উযু করলে ভিন্ন কথা।[1] হাসান।
। ওয়ালিদ ইবনু উকবাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা বিজয় করেন, তখন মক্কাবাসীরা তাদের শিশুদের নিয়ে তাঁর নিকট আসতে লাগলো। তিনি তাদের কল্যাণের জন্য দু‘আ করতে থাকেন এবং তাদের মাথায় হাত বুলিয়ে দেন। তিনি বলেন, আমাকেও তাঁর নিকট নিয়ে আসা হলো। তখন আমার দেহে জাফরান লাগানো ছিলো। জাফরানের কারণে তিনি আমাকে স্পর্শ করেননি।[1] মুনকার।
সুনানে আবু দাউদ 4182DaifDaifDaifDaif
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مَيْسَرَةَ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، حَدَّثَنَا سَلْمٌ الْعَلَوِيُّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ رَجُلاً، دَخَلَ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَعَلَيْهِ أَثَرُ صُفْرَةٍ - وَكَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم قَلَّمَا يُوَاجِهُ رَجُلاً فِي وَجْهِهِ بِشَىْءٍ يَكْرَهُهُ - فَلَمَّا خَرَجَ قَالَ " لَوْ أَمَرْتُمْ هَذَا أَنْ يَغْسِلَ هَذَا عَنْهُ " .
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসলো। তার দেহে হলদে রঙের চিহ্ন বিদ্যমান ছিলো। কারো চেহারায় তার অপছন্দনীয় কিছু দেখলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুব কমই তার দিকে তাকাতেন। লোকটি চলে গেলে তিনি বললেনঃ তোমরা যদি তাকে এগুলো ধুয়ে ফেলার আদেশ দিতে।[1] দুর্বল।
সুনানে আবু দাউদ 4183SahihSahihSahih Bukhari (3551) Sahih Muslim (2337)
সুনানে আবু দাউদ 4187Hasan SahihHasan SahihSahih LighairihiIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا ابْنُ نُفَيْلٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي الزِّنَادِ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَ شَعْرُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَوْقَ الْوَفْرَةِ وَدُونَ الْجُمَّةِ .
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মাথার চুল কানের লতির নীচে এবং ঘাড়ের উপর পর্যন্ত দীর্ঘ ছিলো।[1] হাসান সহীহ।
সুনানে আবু দাউদ 4188SahihSahihSahihSahih Bukhari (5917) Sahih Muslim (2336)
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، أَخْبَرَنِي ابْنُ شِهَابٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ كَانَ أَهْلُ الْكِتَابِ - يَعْنِي - يَسْدِلُونَ أَشْعَارَهُمْ وَكَانَ الْمُشْرِكُونَ يَفْرُقُونَ رُءُوسَهُمْ وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم تُعْجِبُهُ مُوَافَقَةُ أَهْلِ الْكِتَابِ فِيمَا لَمْ يُؤْمَرْ بِهِ فَسَدَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَاصِيَتَهُ ثُمَّ فَرَقَ بَعْدُ .
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আহলে কিতাব তাদের মাথার চুল লম্বাভাবে ঝুলিয়ে দিতো। আর মুশরিকরা মাথায় সিঁথি করতো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে যে বিষয়ে আল্লাহর পক্ষ থেকে কোনো হুকুম ছিলো না, সেক্ষেত্রে তিনি আহলে কিতাবের নিয়ম পালন করতে ভালবাসতেন। তাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-ও তাঁর কপালের চুল লম্বাভাবে ঝুলিয়ে দেন। অতঃপর আবার সিঁথি করেন।[1] সহীহ।
সুনানে আবু দাউদ 4189HasanHasanHasanIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ خَلَفٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، عَنْ مُحَمَّدٍ، - يَعْنِي ابْنَ إِسْحَاقَ - قَالَ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، رضى الله عنها قَالَتْ كُنْتُ إِذَا أَرَدْتُ أَنْ أَفْرِقَ رَأْسَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَدَعْتُ الْفَرْقَ مِنْ يَافُوخِهِ وَأُرْسِلُ نَاصِيَتَهُ بَيْنَ عَيْنَيْهِ .
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মাথার চুলের সিঁথি করতে চাইলে মাথার মাঝ বরাবর দু’ ভাগ করে সিঁথি করতাম এবং তাঁর দু’ চোখের মাঝখান থেকে সোজা কপালের দু’ দিকে চুল ছেড়ে দিতাম।[1] সহীহ।
সুনানে আবু দাউদ 4190SahihSahihIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ هِشَامٍ، وَسُفْيَانُ بْنُ عُقْبَةَ السُّوَائِيُّ، - هُوَ أَخُو قَبِيصَةَ - وَحُمَيْدُ بْنُ خُوَارٍ عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ كُلَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ، قَالَ أَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَلِي شَعْرٌ طَوِيلٌ فَلَمَّا رَآنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " ذُبَابٌ ذُبَابٌ " . قَالَ فَرَجَعْتُ فَجَزَزْتُهُ ثُمَّ أَتَيْتُهُ مِنَ الْغَدِ فَقَالَ " إِنِّي لَمْ أَعْنِكَ وَهَذَا أَحْسَنُ " .
। ওয়াইল ইবনু হুজর (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসতাম। আমার মাথায় লম্বা চুল ছিলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দেখে বললেনঃ মাছি, মাছি। তিনি বলেন, আমি ফিরে এসে চুল কেটে ফেললাম। পরদিন সকালে আমি তাঁর নিকট গেলে তিনি বললেনঃ আমি তো তোমাকে কষ্ট দেইনি। আর এরূপ (চুল) খুবই চমৎকার![1] সহীহ।
সুনানে আবু দাউদ 4191SahihSahihDaif
حَدَّثَنَا النُّفَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ ابْنِ أَبِي نَجِيحٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، قَالَ قَالَتْ أُمُّ هَانِئٍ قَدِمَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِلَى مَكَّةَ وَلَهُ أَرْبَعُ غَدَائِرَ تَعْنِي عَقَائِصَ .
। মুহাজিদ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, উম্মু হানী (রাঃ) বলেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মক্কা হয়ে আগমন করেন, তখন তাঁর মাথার চুলে চারটি গুচ্ছ ছিলো।[1] সহীহ।
। আব্দুল্লাহ ইবনু জা‘ফার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জা‘ফার (রাঃ)-এর পরিবারকে তিনদিন শোক পালনের সুযোগ দিলেন। অতঃপর তিনি তাদের নিকট এসে বললেনঃ আজকের পর থেকে তোমরা তোমার ভাইয়ের জন্য আর কাঁদবে না। অতঃপর বললেনঃ আমার ভাইয়ের ছেলেদের নিয়ে এসো। অতঃপর আমাদেরকে তাঁর কাছে আনা হলো। আমরা যেন পাখীর বাচ্চার ন্যায় অসহায়। তিনি বললেনঃ আমার নিকট নাপিত ডেকে আনো। (নাপিত এলে) তিনি তাকে মাথা মুড়ানোর আদেশ দিলে সে আমাদের মাথা মুড়িয়ে দিলো।[1] সহীহ।
সুনানে আবু দাউদ 4193SahihSahihSahih Bukhari (5920) Sahih Muslim (2120)
। ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাযা‘আ করতে বারণ করেছেন। কাযা‘আ হলো শিশুদের মাথায় কিছু চুল অবশিষ্ট রেখে কিছু চুল কমিয়ে ফেলা।[1] সহীহ।
সুনানে আবু দাউদ 4194SahihSahihIsnaad Sahih
حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنِ الْقَزَعِ وَهُوَ أَنْ يُحْلَقَ رَأْسُ الصَّبِيِّ فَتُتْرَكَ لَهُ ذُؤَابَةٌ .
। ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাযা‘আ করতে নিষেধ করেছেন। তা হলো, শিশুদের মাথা কামিয়ে তাতে কিছু চুল অবশিষ্ট রাখা।[1] সহীহ।
। ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দেখলেন যে, একটি শিশুর মাথার কিছু অংশ কামানো আর কিছুটা অবশিষ্ট রাখা আছে। তিনি তাদেরকে এরূপ করতে নিষেধ করলেন এবং বললেনঃ হয় সবটুকু কামিয়ে ফেলো নতুবা সবটুকু রেখে দাও।[1] সহীহ।
সুনানে আবু দাউদ 4196Daif IsnaadDaif IsnaadDaif
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ، حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ، عَنْ مَيْمُونِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ كَانَتْ لِي ذُؤَابَةٌ فَقَالَتْ لِي أُمِّي لاَ أَجُزُّهَا كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَمُدُّهَا وَيَأْخُذُ بِهَا .
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার মাথার চুলের গুচ্ছ ছিলো। আমার মা আমাকে বললেন, এটা কাটাবো না। কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা টানতেন ও স্পর্শ করতেন।[1] সনদ দুর্বল।
। আল-হাজ্জাজ ইবনু হাসসান (রহঃ) বলেন, একদা আমরা আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-এর নিকট গেলাম। আমার বোন আল-মুগীরাহ আমার নিকট বর্ণনা করেন, তুমি তখন বালক ছিলে আর তোমার মাথায় দু’টি শিং অর্থাৎ দু’টি চুলের গুচ্ছ ছিলো। তিনি তোমার মাথায় হাত বুলিয়ে তোমার কল্যাণের জন্য দু‘আ করে বলেন, এ দু’টি কামিয়ে ফেলে বা কেটে ফেলো। কারণ এটা ইয়াহুদীদের রীতি।[1] সনদ দুর্বল।
সুনানে আবু দাউদ 4198SahihSahihSahih Bukhari (5889) Sahih Muslim (257)
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم " الْفِطْرَةُ خَمْسٌ أَوْ خَمْسٌ مِنَ الْفِطْرَةِ الْخِتَانُ وَالاِسْتِحْدَادُ وَنَتْفُ الإِبْطِ وَتَقْلِيمُ الأَظْفَارِ وَقَصُّ الشَّارِبِ " .
সুনানে আবু দাউদ 4199SahihSahihSahih Bukhari (5892، 5893) Sahih Muslim (259)
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ نَافِعٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَمَرَ بِإِحْفَاءِ الشَّوَارِبِ وَإِعْفَاءِ اللِّحَى .
। আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মোঁচ কাটতে এবং দাড়ি লম্বা করতে আদেশ দিয়েছেন।[1] সহীহ।
সুনানে আবু দাউদ 4200SahihSahihDaifDaif
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا صَدَقَةُ الدَّقِيقِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو عِمْرَانَ الْجَوْنِيُّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ وَقَّتَ لَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَلْقَ الْعَانَةِ وَتَقْلِيمَ الأَظْفَارِ وَقَصَّ الشَّارِبِ وَنَتْفَ الإِبْطِ أَرْبَعِينَ يَوْمًا مَرَّةً . قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَاهُ جَعْفَرُ بْنُ سُلَيْمَانَ عَنْ أَبِي عِمْرَانَ عَنْ أَنَسٍ لَمْ يَذْكُرِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ وُقِّتَ لَنَا وَهَذَا أَصَحُّ .
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের জন্য সময় নির্ধারণ করে দিয়েছেন অন্তত চল্লিশ দিনে একবার নাভির নীচের লোম কামাতে, নখ কাটতে, মোঁচ ছাঁটতে এবং বগলের লোম উপড় ফেলতে। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, হাদীসটি জা‘ফার ইবনু সুলাইমান থেকে আবূ ইমরান থেকে আনাস (রাঃ) সূত্রেও বর্ণিত হয়েছে। এ সূত্রে বর্ণনাকারী 'নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন' এরূপ বর্ণনা করেননি, বরং বর্ণনা করেছেন এভাবেঃ আমাদের জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। আর এটাই অধিক সহীহ।[1] সহীহ।
সুনানে আবু দাউদ 4201Daif IsnaadDaif IsnaadDaifDaif
। জাবির (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা হজ (হজ্জ) ও উমরা ছাড়া দাঁড়ির সম্মুখ ভাগ লম্বা করে রাখতাম। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, অর্থাৎ নাভির নীচের লোম কামিয়ে ফেলা।[1] সনদ দুর্বল।
সুনানে আবু দাউদ 4202Hasan SahihHasan SahihIsnaad Hasan
। আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা পাকা চুল-দাঁড়ি উপড়িয়ে ফেলো না। কেননা কোনো মুসলিম ইসলামের মধ্যে থেকে চুল পাকালে (সুফিয়ানের বর্ণনায় রয়েছে) এটা তার জন্য কিয়ামতের দিন উজ্জ্বল নূর হবে। (ইয়াহইয়ার বর্ণনায় রয়েছে) আল্লাহ তার প্রতিটি পাকা চুলের পরিবর্তে তাকে একটি নেকী দান করবেন এবং একটি গুনাহ মিটিয়ে দিবেন।[1] হাসান সহীহ।
সুনানে আবু দাউদ 4203SahihSahihSahih Bukhari (5899) Sahih Muslim (2103)
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، وَسُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِنَّ الْيَهُودَ وَالنَّصَارَى لاَ يَصْبُغُونَ فَخَالِفُوهُمْ " .
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ নিশ্চয়ই ইয়াহুদী ও নাসারাগণ চুল-দাঁড়িতে খেযাব লাগায় না। কাজেই তোমার তাদের বিপরীত করো।[1] সহীহ।
। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, মক্কা বিজয়ের দিন আবূ কুহাফাকে আনা হলো। এ সময় তার মাথার চুল ও দাঁড়ি সাগামাহ (গাছের) মত একেবারে সাদা ছিলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ খেযাব লাগিয়ে এগুলো পরিবর্তন করো কিন্তু কালো রঙ বর্জন করো।[1] সহীহ।
। আবূ যার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এ বার্ধক্য পরিবর্তনের সবচেয়ে উত্তম রঙ হলো মেহেদি ও কাতাম (কালো রঙ নিঃসারক উদ্ভিদ)।[1] সহীহ।
সুনানে আবু দাউদ 4206SahihSahihSahihSahih
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، - يَعْنِي ابْنَ إِيَادٍ - قَالَ حَدَّثَنَا إِيَادٌ، عَنْ أَبِي رِمْثَةَ، قَالَ انْطَلَقْتُ مَعَ أَبِي نَحْوَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَإِذَا هُوَ ذُو وَفْرَةٍ بِهَا رَدْعُ حِنَّاءَ وَعَلَيْهِ بُرْدَانِ أَخْضَرَانِ .
। আবূ রিমসাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি আমার পিতার সঙ্গে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট যাই। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কানের লতি পর্যন্ত দীর্ঘ বাবরি চুল মেহেদির রঙে রঞ্জিত ছিলো এবং তাঁর পরিধানে ছিলো দু’টি সবুজ রঙের চাদর।[1] সহীহ।
। আবূ রিমসাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, অতঃপর আমার পিতা তাঁকে বলেন, আপনার পিঠের এ জিনিসটি (নাবূওয়াতের মোহর) আমাকে দেখান, কারণ আমি একজন চিকিৎসক। তিনি বললেনঃ আল্লাহ হলেন চিকিৎসক, আর তুমি একজন বন্ধু। তিনিই এর চিকিৎসক যিনি একে সৃষ্টি করেছেন।[1] সহীহ।
। আবূ রিমসাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। আমি ও আমার পিতা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসলাম। তিনি এক ব্যক্তিকে বা তার পিতাকে বললেনঃ এটা কে? তিনি বলেন, আমার ছেলে। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ তার উপর মন্দ আচরণ করো না। এ সময় তাঁর দাঁড়ি মেহেদির রঙে রঞ্জিত ছিলো।[1] সহীহ।
সুনানে আবু দাউদ 4209SahihSahihSahihSahih Bukhari (5895) Sahih Muslim (2341)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّهُ سُئِلَ عَنْ خِضَابِ النَّبِيِّ، صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ أَنَّهُ لَمْ يَخْضِبْ وَلَكِنْ قَدْ خَضَبَ أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا .
। আনাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খেযাব ব্যবহার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) খেযাব ব্যবহার করেননি; কিন্তু আবূ বাকর (রাঃ)-ও খেযাব লাগিয়েছেন।[1] সহীহ।
সুনানে আবু দাউদ 4210SahihSahihSahihIsnaad Hasan
حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ مُطَرِّفٍ أَبُو سُفْيَانَ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي رَوَّادٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَلْبَسُ النِّعَالَ السِّبْتِيَّةَ وَيُصَفِّرُ لِحْيَتَهُ بِالْوَرْسِ وَالزَّعْفَرَانِ وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ يَفْعَلُ ذَلِكَ .
। ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাকা চামড়ার তৈরী জুতা পরতেন এবং তাঁর দাঁড়িতে ওয়ারস ঘাসের রস ও জাফরান লাগাতেন। ইবনু উমার (রাঃ)-ও এরূপ করতেন।[1] সহীহ।
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক লোক মেহেদির খেযাব লাগিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পাশ দিয়ে অতিক্রম করলে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ এটা খুবই চমৎকার। বর্ণনাকারী বলেন, আরেক লোক মেহেদি ও কাতান মিশ্রিত খেযাব লাগিয়ে অতিক্রম করলে তিনি বলেন, এটা ওটার চেয়েও সুন্দর। অতঃপর আরেক লোক হলদে রঙের খেযাব লাগিয়ে যাওয়ার সময় তিনি বলেন, এটা পূর্বের দু’টি তুলনায় আরো সুন্দর।[1] দুর্বল।
। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আযাদকৃত গোলাম সাওবান (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফরে বের হওয়ার সময় পরিবারের লোকদের মধ্যকার সবশেষ ফাতিমাহর কাছ থেকে বিদায় নিতেন; আর সফর শেষে বাড়ি এসে সবার আগে ফাতিমাহর সাথে দেখা করতেন। একদা তিনি কোনো এক যুদ্ধ থেকে ফিরে এসে দেখেন, ফাতিমাহর ঘরের দরজায় পশমী চাদর বা পর্দা ঝুলিয়েছেন এবং হাসান হুসাইনকে রূপার কাকন পরিয়েছেন। তাই তিনি তার ঘুরে ঢুকেননি। ফাতিমাহ (রাঃ) বুঝতে পারলেন যে, এসব দেখেই তিনি আমার নিকট আসেননি। তাই তিনি পর্দা ছিঁড়ে ফেলেন এবং কাকন দু’টো ছেলেদ্বয়ের হাত থেকে খুলে তাদের সামনেই ভেঙ্গে ফেলেন। তারা দু’ জন কাঁদতে কাঁদতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গেলে তিনি তাদের হাত থেকে ভাঙ্গা কাকন নিয়ে বলেনঃ হে সাওবান! তুমি এটা নিয়ে মদীনার আহলে বাইতের অমুক পরিবারে যাও। নিঃসন্দেহে এরা হলো আমার ঘরের লোক। এরা তাদের পার্থিব জীবনে উত্তম খাবার গ্রহণ করুক তা আমি চাই না। হে সাওবান! ফাতিমাহর জন্য একটি পুতীর মালা ও হাতির দাঁতের তৈরি দু’টি কাকন কিনে আনো।[1] সনদ দুর্বল মুনকার।
মূল পাঠ, অনুবাদ ও মান নির্ণয়: ওপেন-সোর্স Hadith API (fawazahmed0/hadith-api)। মান নির্ণয়গুলো উল্লিখিত মুহাদ্দিসদের।